সন্ধ্যা ৭:৩৭ | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ব্রেকিং নিউজ

মসুলের বিখ্যাত আল-নুরি মসজিদ বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে আইএস

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মসুলের বিখ্যাত আল-নুরি মসজিদ বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ইরাকি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি। তবে, নিজেদের সংবাদ মাধ্যম ‘আমাক’-য়ে এক বিবৃতি দিয়ে আইএস দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী মসজিদটি ধ্বংস করেছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি বলেছেন, পরাজয় নিশ্চিত দেখে সবকিছু ধ্বংস করছে আইএস। মসুলে নিকটবর্তী সেনাবাহিনী দেখে তারা আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই মসজিদ ধ্বংসকে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বর্ণনা করেন।

আইএসের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকা ইরাকি বাহিনীর কমান্ডারের দাবি, মসজিদটি থেকে তাদের অবস্থান যখন ১৫ মিটার দূরে ছিল তখনই আইএস ওই ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

ইরাকে থাকা এক উর্ধ্বতন মার্কিন কমান্ডার বলেন, আমাদের ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর অংশীদাররা যখন আল-নুরি মসজিদের কাছাকাছি ছিল, তখন ইরাকের এই বিখ্যাত সম্পদ ধ্বংস করে আইএস।

বিমান থেকে ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়, মসজিদ ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লম্বা মিনারওয়ালা মসজিদটির একটি ছোট্ট ধ্বংসাবশেষ কেবল অবশিষ্ট রয়েছে। মসজিদটি প্রার্থনাকেন্দ্র ছাড়াও প্রাচীন গ্রন্থ সংগ্রহশালা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এর আগেও ইরাক ও সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে আইএস।

২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর থেকে হাজার হাজার ইরাকি নিরাপত্তা সদস্য, কুর্দি পেশমেগা যোদ্ধা, সুন্নি আরব উপজাতি ও শিয়া মিলিশিয়া, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের যুদ্ধপরাধ ও সামরিক উপদেষ্টারা জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস)বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থানে রয়েছে।

মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী মসুল শহরের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত ছিল। ২০১৪ সালে পশ্চিম মসুলে অবস্থিত এই মসজিদ থেকেই আইএসপ্রধান আবু বকর আল বাগদাদি ‘খিলাফত’ ঘোষণা করেছিলেন। এক সময় এই পশ্চিম মসুলই ছিল ইসলামিক স্টেটের প্রধান শক্তিকেন্দ্র।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *