রাত ১০:৫৪ | ৬ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
ব্রেকিং নিউজ

ভিআইপিদের পুলিশ প্রটোকল গাড়িতে সাইরেন না বাজানোর অনুরোধ সেতুমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার : সড়ক-মহাসড়কে মন্ত্রী বা ভিআইপিদের পুলিশ প্রটোকল গাড়িতে সাইরেন না বাজানোর অনুরোধ করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ বিষয়ে একটি আইন পাসের কথাও বলেছেন তিনি।

রবিবার সচিবালয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপনের পর্যালোচনা সভা ও ঈদুল আজহার প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি আগামীতে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে।

এমনিতেই যানজটের নগরে এই সাইরেন বাজানো নতুন সমস্যার তৈরি করছে। অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির মতোই সড়কে ভিআইপিদের গাড়িতে প্রায়ই সাইরেন বাজতে শোনা যায়। আর এই শব্দ হলে সাধারণত অন্যান্য সড়ক আটকে রেখে যেখান থেকে শব্দ আসছে সেই সড়ক বেশি ছাড়ে পুলিশ।

গত বেশ কিছুদিন ধরেই ভিআইপিদেরকে আইন মেনে সড়কে চলাচল করার অনুরোধ করে আসছেন সড়ক মন্ত্রী। আজকেও একই অনুরোধ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ সহজেই আইন মানে আমরা যারা ‘অসাধারণ’ তারাই আইন মানতে চাই না।’

বৈঠকে আগামী কোররবানির ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আজ থেকেই মাঠে নামার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবারের ঈদুল ফিতর নির্বিঘ্নে উদযাপনের সফলতার হার ৮০ ভাগ। কোরবানির ঈদে ঈদযাত্রা আর সহজ করতে হবে।’

সুইস ব্যাংকে এক বছরে বাংলাদেশিদের হিসাবে এক হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সুইস ব্যাংকে বিএনপি নেত্রীর ছেলেদের ব্যাংক হিসেবের তথ্য পাওয়া গেছে তা আদালতে প্রমাণিত। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সে ধরনের তথ্য প্রমাণ নেই।’

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৬’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৬ সালে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশ থেকে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় প্রায় পাঁচ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। আগের বছর এই জমার পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ বা চার হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর শুক্রবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ব্যাংক থেকে লুট করা টাকাই সুইস ব্যাংকে জমা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা।

আগামী নির্বাচনে প্রয়োজন হলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলের মতো স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে পারে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *