রাত ১২:৪০ | ৩রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
ব্রেকিং নিউজ

নওগাঁ সদর সহ পতœীতলা ও সাপাহারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, চলছে ‘বাহুবলী-২’ এর দাপট

আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় জমে উঠেছে এবারের ঈদের কেনাকাটা। চলছে বাহুবলী-২ সহ অন্যান্য বিভিন্ন নামের পোশাকের দাপট। জেলা সদর ছাড়াও পতœীতলা ও সাপাহার উপজেলার বিপণি বিতান গুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই মার্কেট গুলোতে কেনাবেচা জমে উঠছে। ঈদে ক্রেতাদের চাহিদা মাথায় রেখে বিক্রেতারাও আগেভাগেই তাঁদের পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন। বড় বড় মার্কেট গুলোতে যেন তিলধারনের ঠাঁই নেই। ক্রেতাদের ভিড়ে মার্কেটের দোকান গুলো ঠাসাঠাসি। তবে নারী ও শিশু ক্রেতার সংখ্যাই বেশী। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে প্রিয়জনের উপহার কিনতে ধনী ও মধ্যবিত্তদের পাশাপাশি কেনা কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নিম্নবিত্তের খেটে খাওয়া মানুষও।

নওগাঁঃ
জমে উঠেছে নওগাঁয় এবারের ঈদের কেনাকাটা। শহরের শপিংমল গুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। শহরের আনন্দবাজার-গীতাঞ্জলী শপিং কমপ্লেক্স, ঠাকুর ম্যানসন, দেওয়ান বাজারসহ বড় বড় মার্কেট গুলোতে যেন তিলধারনের ঠাঁই নেই। ক্রেতাদের ভিড়ে মার্কেটের দোকান গুলো ঠাসাঠাসি। তবে নারী ও শিশু ক্রেতার সংখ্যাই বেশী। রেডিমেট পোষাক, শাড়ির দোকান, পাঞ্জাবীর দোকান, ছিট কাপড়ের দোকান, টেইলার্স, হকার্স মার্কেট, প্রসাধনী সহ জুতার দোকান সব জায়গাতেই আগের তুলনায় যেন ক্রেতাদের ভীড় বেড়েছে। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে না হলেও মানিয়ে নিয়ে চলছে এবারের ঈদের কেনাকাটা।

এবারের কেনাকাটায় নারী, শিশু এবং বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন তরুনীরাই সবচেয়ে বেশী এগিয়ে রয়েছে। সেই সঙ্গে পিছিয়ে নেই পুরুষ এবং তরুণরাও। তরুনীদের পছন্দের পোষাক এবার বাহুবলী-২, টিউব লাইট, ফ্লোর টার্চ, লাসা, লংস্কাট, শর্ট স্কাট, রাখী থ্রি পিচ, বাজিরাও মাস্তানি সহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিচ ও ফোর পিচ পোশাক। আর তরুনদের রঙ্গিন পাঞ্জাবী এবং শিশুদের রাখি-বন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজান, তানসী ফ্রক সহ রকমারি পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।

বুধবার শহরের বিপনী বিতানগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, নারী, শিশু এবং তরুনী ক্রেতারা যেন পোষাকের দোকান গুলো দখল করে নিয়েছে। তাদের পছন্দের পোষাক খুঁজে বের করে দিতে দোকানীরা হিমশিম খাচ্ছেন।

শহরের আনন্দবাজার-গীতাঞ্জলী শপিং কমপ্লেক্সের শিলামণি গার্মেন্টস, টুনটুনি, ঠিকানা, পালকী, আনান ফ্যাশন হাউজ ছাড়াও ঠাকুর ম্যানসনে রাজ গার্মেন্টস সহ অন্যান্য বিপনী বিতান গুলোতে ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোষাক কিনছেন।

শাড়ির দোকান গুলোতেও প্রচন্ড ভিড়। জামদানী, বেনারসি, কাতান, কাঞ্জিলরাম, মীরপুর সিল্ক, রাজশাহী সিল্ক এবং তাঁতের সুতি শাড়ির ব্যাপক চাহিদা। জামদানীর লেহেঙ্গা প্রকারভেদে এক হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তরুনী ক্রেতাদের পাশাপাশি তরুনরা এবার রঙ্গিন পাঞ্জাবীর প্রতি বেশী ঝুঁকেছে। নানা রঙ্গের পাঞ্জাবী বেচাকেনা শুরু হয়েছে বেশ জোড়ালোভাবে।

এদিকে শহরের জুতোর দোকান গুলোতেও ভিড় বেড়েছে। উন্নতমানের জুতোর শো-রুম এ্যাপেক্স, পায়ে পায়ে এবং বাটার দোকানে বিত্তবানদের ভিড়। নিম্নআয়ের মানুষগুলো অন্যান্য ছোট দোকান বা ফুটপাতে ভিড় জমিয়েছে তাদের সাধ্যের ভিতর পোষাক আর জুতো কেনার জন্য।

পতœীতলাঃ
এবার ঈদে পতœীতলায় নতুন আকর্ষণ বাহুবলি-২, রাখি-বন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজান, টিউব লাইট, ফ্লোর টার্চ, রাখী থ্রি পিচ, ফ্লোর টার্চ, লাসা, লংস্কাট, শর্ট স্কাট, ঋষিকা, সেলফি, কুলফি, পাহাড়পুরি, আনারকলি, ডিভাইডার গাওন, জিপসী, পাকিজা ড্রীম লন, এশিয়া থ্রি পিচ, ফেন্সি থ্রি পিচ, দোয়েল থ্রি পিচ, বাজিরাও মাস্তানি, লেহেঙ্গা, ফতোয়া, সেলোয়ার, কামিজ সহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিচ ও ফোর পিচ পোশাক। আকৃষ্ট করেছে দেশীয় পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানী, সিল্ক, খদ্দর, মনীপুরী, রাজগুরু, বালুচুরী, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। ছেলেদের জন্য রয়েছে, টি শার্ট, গেঞ্জী, পাঞ্জাবী, জিন্স প্যান্ট, শর্ট প্যান্ট ইত্যাদি।

এবারের কেনাকাটায় নারী, শিশু এবং বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন তরুনীরাই সবচেয়ে বেশী এগিয়ে রয়েছে। সেই সঙ্গে পিছিয়ে নেই পুরুষ এবং তরুণরাও। রেডিমেট কাপড়ের দোকান গুলোয় ছেলে, মেয়ে ও শিশুদের জন্য এসেছে নানা নামের ও দামের পোষাক। নারী, শিশু এবং তরুনী ক্রেতারা যেন পোষাকের দোকান গুলো দখল করে নিয়েছে। তাদের পছন্দের পোষাক খুঁজে বের করে দিতে দোকানীরা হিমশিম খাচ্ছেন।

তরুনীদের পছন্দের প্রথম পোষাক এবার বাহুবলী-২, টিউব লাইট, ফ্লোর টার্চ, লাসা, লংস্কাট, শর্ট স্কাট, রাখী থ্রি পিচ, পাকিজা ড্রীম লন, এশিয়া থ্রি পিচ, ফেন্সি থ্রি পিচ, দোয়েল থ্রি পিচ, বাজিরাও মাস্তানি সহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিচ ও ফোর পিচ পোশাক। তরুনদের রঙ্গিন পাঞ্জাবী এবং শিশুদের রাখি-বন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজান, তানসী ফ্রক সহ রকমারি পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।

বিপনী বিতান গুলো ক্রেতাদের আকৃষ্ঠ করার জন্য রকমারী পসরায় সাজানো হয়েছে। ফ্যাশনে মেয়েদের পোশাকে বৈচিত্র এবং নতুনত্ব সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর তাইতো সত্তর-আশির দশকের বেলবটম প্যান্টের কথা মনে পড়ে যেতে পারে বর্তমান সময়ের পালাজ্জো দেখে। পালাজ্জো হয়তো বর্তমান সময়ের ফ্যাশনে নতুন কিছু নয়, তবে তার ডিজাইন আর স্টাইলে নিত্য নতুন যে সকল পরিবর্তন আসছে, এতে তাকে নতুন না বলেও উপায় থাকে না। পালাজ্জো নতুন কোনো ফ্যাশন নয়। আমাদের দেশে আগে বেলবটম প্যান্ট ছিল। মাঝে ছিল ডিভাইডার সালোয়ারের প্রচলন। এখন পাশ্চাত্য ফ্যাশনের অনুকরণে আবারো এসেছে ঢোলা প্যান্টের চল, একটু অন্যভাবে পালাজ্জো নামে। গরমে পরার জন্য এই ঢোলা প্যান্ট খুবই আরামদায়ক। আর তার থেকেও বড় কথা, যেকোনো স্টাইলিস পোশাকের সঙ্গে খুব সহজেই মানিয়ে যায় পালাজ্জো। বাড়িয়ে তোলে সৌন্দর্য্যও।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবারের ঈদে অনান্য পোশাকের সঙ্গে পালাজ্জোর প্রচলনটাই সবচেয়ে বেশি। শর্ট কামিজ, মিড লং বা লং কামিজ দিয়ে পরার জন্য পালাজ্জো রয়েছে নারীদের প্রথম পছন্দে। নকশা করা বা প্রিন্টেড পালাজ্জোর সঙ্গে একরঙা টপস, আর একরঙা পালাজ্জোর সঙ্গে নকশাদার জামা পরলে মানায় ভালো। কামিজ ছাড়াও ফতুয়া, অল্প ঢোলা বা ফিটেড শার্টের সঙ্গেও পালাজ্জো ভালো যায়। প্রিন্টেড টপস ইন করেও পালাজ্জো পরতে পারেন। শুরুতে লং কামিজের সঙ্গে একরঙা পালাজ্জো ফ্যাশন ট্রেন্ড থাকলেও এবার তা বদলেছে। এই ঈদে ডিজাইন হিসেবে কোমরে কুঁচিওয়ালা বা কুঁচিবিহীন দুই ধরনের পালাজ্জোই রয়েছে বাজারে। অনেকে পালাজ্জো পরতে চাইলেও লং কামিজ পরতে চায় না। তাদের জন্য এবার পালাজ্জোর ধরন ও কাটেও এসেছে ভিন্নতা।

এবার ঈদে পতœীতলায় নতুন আকর্ষণ মেয়েদের হাল ফ্যাশনের বাহুবলী-২ বিক্রি হচ্ছে ৬হাজার ৫শ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এবাদে মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস ১ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর শাড়ির দাম ৮শ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আছে। আর ছেলেদের পায়জামা-পাঞ্জাবি ১২শ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। শেরওয়ানি বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ১৫ হাজার টাকায়।

রেডিমেট পোষাক, শাড়ির দোকান, পাঞ্জাবীর দোকান, ছিট কাপড়ের দোকান, টেইলার্স, হকার্স মার্কেট, প্রসাধনী সহ জুতার দোকান সব জায়গাতেই আগের তুলনায় যেন ক্রেতাদের ভীড় বেড়েছে। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে না হলেও মানিয়ে নিয়ে চলছে এবারের ঈদের কেনাকাটা।

এই ঈদে এসেছে বেশ কিছু নতুন নামের শাড়ি। টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানী, সিল্ক, খদ্দর, মনীপুরী, রাজগুরু, বালুচুরী, জর্জেট, সাজিয়া সাওয়ারী, আজিজা জামদানী, টিসু লোন শাড়ী, ব্লক শাড়ি, নাসা শাড়ী, কুচি জর্জেট, লেহেঙ্গা শাড়ী, কুসুমদোলা, কে আপন কে পর, কুমকুম সহ বাহারি নামের শাড়ি। আর ঢাকাই জামদানী, টাঙ্গাইল সিল্ক, রাজশাহী সিল্ক, জামদানী তসর সিল্ক, জর্জেট তো আছেই। এসব শাড়ি নাম ও প্রকার ভেদে মূল্য নির্ধারন করে রেখেছেন দোকানীরা। তবে এবারে দোকানীরা জানান গতবারের চেয়ে এবারে কাপড়ের দাম তুলনামূলক একটু বেশী। আর তাই এবারে মধ্যবিত্ত ও নি¤œ আয়ের মানুষের জন্য পছন্দের পোষাক ক্রয় করা একটু কষ্ট সাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে।

প্রসাধণী ও জুতার দোকানেও শুরু হয়েছে ক্রেতাদের ভীড়। বিশেষ করে প্রসাধণীর দোকান গুলোতে মেয়েদের মেহেদী ও নানা রকম কসমেটিকস কেনার উপচে পড়া ভীড়। পাশাপাশি টুপি ও আতরের দোকানেও রয়েছে ক্রেতাদের ভীড়। টেইলার্স গুলোতে অর্ডার নেয়া প্রায় শেষের দিকে। তবে ডিপার্মেন্টাল ষ্টোর সহ মুদীর দোকান গুলোতে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য সহ সেমাই-চিনি, খেজুর, নুডলস কেনার ভীড় একটু বেশী লক্ষ করা গেছে।

দরিদ্র মানুষের একমাত্র অবলম্বন হকার্স মার্কেট ও ছোট বিপনি বিতান গুলো। সকলেই তাদের সাধ্য অনুযায়ী ঈদকে সামনে রেখে পরিবারের জন্য বাজারে নেমে পড়েছে। এদিকে দোকানীরা বলছেন, ১০ রমজানের পর থেকেই বেচাকেনা জমে উঠেছে। এখন শুধু মহিলা, শিশু এবং তরুন-তরুনীদেরই ভিড় বেশী। তাদের মতে, ব্যবসা এবার ভাল হবে।

সাপাহারঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাঁকী। রমজানের শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে নওগাঁর সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলার বাজার গুলো ক্রেতা সাধারণের সমাগমে তার চেয়ে অধিক পরিপুর্ন পরিলক্ষিত হচ্ছে। সদরের বিভিন্ন মার্কেটের শপিং মল থেকে শুরু করে ফুট পাতের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভির লক্ষ করা গেছে। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে প্রিয়জনের উপহার কিনতে ধনী ও মধ্যবিত্তদের পাশাপাশি কেনা কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নিম্নবিত্তের খেটে খাওয়া মানুষও।

উপজেলা সদরে বসবাসকারীরা ছাড়াও বিভিন্ন গ্রাম থেকে দলে দলে লোকজন প্রতিদিন ঈদের বাজার করতে আসছে উপজেলা সদরের বিপনী বিতান গুলোতে। সাপাহার উপজেলা শহরের নিউমার্কেট, লাবনী সুপার মার্কেট, চৌধুরী মার্কেট, গিয়াস মার্কেট, ভাইবোন মার্কেট, হক সুপার মার্কেট, সোনার বাংলা মার্কেট সহ বিভিন্ন মার্কেটের ছোট বড় শতাধিক কাপড়ের বিপনী বিতান গুলোতে এবারের ঈদের কালেকশনের পশরা সাজিয়ে বসেছে।

এবারে দেশী পোষাকের পাশাপাশি ভারতীয় পোষাকেও ছেয়ে গেছে বিভিন্ন মার্কেটের শপিং মল ও বীপণী গুলোতে। তবে এসব মার্কেটে মানসম্মত দেশীয় পোশাক সামগ্রী থাকলেও শিশু ও উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের ভারতীয় পোশাকের প্রতি চাহিদা একটু বেশী।

এবার ঈদে মেয়েদের জন্য আকর্ষণীয় পোশাকের মধ্যে রয়েছে বাহুবলি-২, রাখি-বন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজান, টিউব লাইট, ফ্লোর টার্চ, লাসা, লংস্কাট, শর্ট স্কাট, ঋষিকা, সেলফি, কুলফি, পাহাড়পুরি, আনারকলি, ডিভাইডার গাওন, জিপসী, হরেক রকমের বাহারী থ্রী-পিস, লেহেঙ্গা, ফতোয়া, সেলোয়ার, কামিজ সহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিচ ও ফোর পিচ পোশাক। আকৃষ্ট করেছে দেশীয় পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানী, খদ্দর, মনীপুরী, রাজগুরু, বালুচুরী, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। ছেলেদের জন্য রয়েছে, টি শার্ট, গেঞ্জী, পাঞ্জাবী, জিন্সপেন্ট, শর্ট পেন্ট ইত্যাদি।

এছাড়া জুতা সেন্ডেলের দোকানেও ভিড়ের কমতি নেই, নারীদের উপস্থিত বেড়েছে কসমেটিকসের দোকান গুলোতে। গত বছরের তুলনায় এবারে পোশাকের দাম একটু বেশি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা। এর কারণেই এদের শেষ আশ্রয় ফুটপাতের দোকানগুলো। সাধারণ খেটে খাওয়া গরীব মানুষদের কেনা কাটা করার জন্য সাপাহারে রয়েছে ফুটপাত বা জনতা মার্কেট নামে সেটের দোকান। সেখানেও রয়েছের প্রচুর রকমের বাহারী পোষাক, এখানকার খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ সে সব সেটের দোকানে গিয়ে তাদের ও তাদের সন্তানদের জন্য পছন্দের পোষক কিনছে।
#######
নওগাঁর পতœীতলায় আবারো মটরসাইকেল চোরেরা সক্রিয়

আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ সদরের পর সবচেয়ে বেশী মটরসাইকেল ব্যবহারকারী সংখ্যা পতœীতলায়। সম্প্রতি আবারো পতœীতলায় মটরসাইকেল চোরেরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সোমবার জেলার পতœীতলা উপজেলা সদর নজিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সামনে থেকে আবারো মটরসাইকেল চুরি যাওয়ায় সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

জানাগেছে, সোমবার বেলা ১১টায় নজিপুর দোচাই এলাকার ঔর্ষিনী মহন্তের পুত্র প্রিতম কুমার মহন্ত (পিন্টু) নামে এক ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনধি তার বাজাজ সিটি ১শ সিসি লাল রঙের একটি মটরসাইকেল মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নীচে এটিএম বুথের সামনে লক করে রেখে ব্যাংকে যায়। ব্যাংকের কাজ শেষে করে নীচে এসে তার মটরসাইকেলটি দেখতে না পেয়ে খোজাখুজি শুরু করে এবং এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড সহ সকলকে জিজ্ঞাসা করেও মটরসাইকেলের কোন হদিস করতে পারেনি। ।

এঘটনার পর থেকে এলাকায় আবারো মটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানান, ব্যাংকের বুথের সামনে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকলে এবং এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড দায়িত্ব পরিপূর্ন ভাবে পালন করলে এধরনের মটরসাইকেল চুরি এড়ানো অনেকটা সম্ভব হবে বলে তাদের ধারনা।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *