সন্ধ্যা ৭:২৫ | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ব্রেকিং নিউজ

জগন্নাথপুরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল যুবকের

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি : জগন্নাথপুরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ঝুলন্ত ছেড়া তারে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে আবদুস ছালেক (৩৫) নামের এক হতভাগ্য যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবদুল খালিকের ছেলে।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর শহরের বটেরতল নামক স্থানে সড়কের পাশে পুরনো বাঁশ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন টানা হয়েছে। স্থানীয় হবিবপুর গ্রামের চুনু মিয়া নামের গ্রাহক এ লাইনটি তার বাড়িতে নিয়েছেন। বাঁশ দিয়ে লাইন টানার কারণে লাইনের তার নিচের দিকে ঝুলে গিয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকে। বাঁশের খুঁটিতে এ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের বিপদজনক অবস্থা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে সম্প্রতি-বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি।
অবশেষ রোববার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে এ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের ঝুলন্ত ছেড়া তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে হতভাগ্য যুবক আবদুস ছালেকের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার এসআই গোলাম মোস্তফা জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত আবদুস ছালেকের চাচা আবদুল ওয়াহিদ জগন্নাথপুর থানাকে লিখিতভাবে সংবাদ জানিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেছেন নিহত আবদুস ছালেক একজন মানসিক রোগী। তবে বিদ্যুৎ লাইনের তারে ঝুলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে চুনু মিয়া বাঁশ দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন নিয়েছেন। তা জগন্নাথপুর বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন জানেন। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ লেখা হয়েছে। এরপরও লাইনের খুঁটি পরিবর্তন করা হয়নি। এতে প্রতীয়মান হয়, বিদ্যুৎ অফিস ও গ্রাহক চুনু মিয়ার অবহেলার কারণে হতভাগ্য পাগল আবদুস ছালেকের মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আজিজুল ইসলাম আজাদ জানান, বটেরতলের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের খবর আমরা জানি। কাজের অনেক চাপ থাকায় অনেক সময় চেষ্টা করেও অনেক কাজ করা সম্ভব হয়না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ পেয়ে লাইনে কিছু কাজ করা হয়েছিল। তবে এখন লাইনে পুরো কাজ করা হচ্ছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *