সকাল ১০:১১ | ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
ব্রেকিং নিউজ

ঈদের দিনগুলোতে বেশি ঘোরাঘুরি করতে মানা ছিল মেহজাবিনের

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশে উৎসবের শেষ নেই। এর কোনোটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় আবেগ। ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতিও জড়িয়ে আছে অনেক উৎসবের সঙ্গে। তবে সব উৎসবই আজকাল সর্বজনীন রূপ নেয়। সব দলের, সব মতের মানুষকে একই মোহনায় নিয়ে আসে উৎসব-আয়োজন। সবাই মিলে আনন্দ করতে না পারলেও আমাদের উৎসব যেন পূূর্ণতা পায় না। এমন দিনগুলোয় সাজে-পোশাকে-খাবারে থাকে বিশেষ রুচির ছাপ। বিনোদনেও থাকে বিশেষত্ব। নানা আয়োজন থাকে টিভিতে। হলে হলে মুক্তি পায় নতুন নতুন ছবি। তারকারা কিভাবে কাটান উৎসবের দিন? তারা কী পরেন, কী করেন? শৈশবে কী করতেন? জানিয়েছেন মডেল ও অভিনয়শিল্পী মেহজাবিন চৌধুরী।

এই তারকা বিনোদনজগতে আসেন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে। এরপর বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। মেহজাবিনের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামে হলেও ছোটবেলায় ছিলেন আরব আমিরাতে। বেশিরভাগ সময় কাটত বাসায়। জীবন ছিল অনেক নিয়ন্ত্রিত। যখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়েন, সেই সময়ের ঈদের কথা মনে আছে মেহজাবিনের।

শৈশবের ঈদের স্মৃতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘তখন বাবা-মা ঈদের জামা কিনে দিতেন। এখন বছরজুড়ে প্রচুর কেনাকাটা আর উপহার পেলেও তখন কিন্তু ঈদের জামা মানে ঈদের দিনের জন্য বিশেষ পোশাক একটিই কেনা হতো। ঈদের দিনগুলোতে বেশি ঘোরাঘুরি করতে মানা ছিল। বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় নিয়ে আসতে বলা হতো। তবে এখনকার ঈদ বেশি উপভোগ করা হয়। কারণ অনেক স্বাধীনতা পাওয়া যায়। ইচ্ছেমতো পোশাক কেনা, বেড়ানো সব কিছুতে নিজের ইচ্ছেটাকে প্রাধান্য দেওয়া যায়। চাঁদরাতে কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি নিয়েও পরিকল্পনা থাকে।

ঈদের কোনো মজার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একবার ঈদের দিন অনেক ঘুরে দুপুরে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সেই ঈদের পরনে ছিল সালোয়ার-কামিজ। ঘুম থেকে উঠে দেখি এত শখের জামাটি কুঁচকে গেছে। আমার জীবনের প্রথম সালোয়ার-কামিজ। খুব মায়া ছিল সেই পোশাকটি নিয়ে। তাই কাউকে না জানিয়ে ইস্ত্রি দিয়ে কাপড়টি ঠিক করতে গিয়ে দেখলাম সালোয়ার-কামিজটি ইস্ত্রির আকার হয়ে গোল হয়ে গেছে। এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে অনেক কান্না করেছিলাম। কারণ জীবনে এই প্রথম ঈদের জামাটি ঈদের দিনই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।’

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *